ন্যায়-অন্যায় বিচারের ভার মানুষের হাতেই ছাড়লেন মমতা
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: ২৪ ঘণ্টা প্রচারে নিষেধ ছিল। কমিশনের নিষেধাজ্ঞা কাটতেই প্রচার শুরু । বাংলার এই ভোটযুদ্ধকে পলাশির সঙ্গে তুলনা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৭২ ঘণ্টার জন্য শীতলকুচিতে যাওয়ায় ওপরে নিষেধাজ্ঞা। মুখ খুলেই তৃণমূল নেত্রী প্রথমে ন্যায়-অন্যায় বিচারের ভার মানুষের হাতেই ছাড়লেন। বারাসতের জনসভায় নিজেকে তুলে ধরলেন একজন “স্ট্রিটফাইটার” হিসেবে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, “রাঘববোয়াল থেকে চুনোপুটি, ভারত সরকারের যত এজেন্সি, সব ব্যবহার করে বাংলা দখলের অশুভ প্রচেষ্টা চলছে। বাংলাকে গুজরাট করতে দেব না। আমাকে আটকানোর চেষ্টা করলে লাভ নেই। আঘাত করলে প্রত্যাঘ্যাত করতে পারি।” ওই সভা মঞ্চে বিজেপিকে কটাক্ষ করে তাঁর মন্তব্য, “তোমাদের কাছে লোকলস্কর আছে, টাকা পয়সা আছে। ভারত সরকারের এজেন্সি নিয়ে নেমেছ। আমাকে এত ভয় পাচ্ছ কারণ একটাই।” পলাশির যুদ্ধ উল্লেখ করে তৃণমূল সুপ্রিমো ব্যাখ্যা দিলেন, “আমি ব্যাটলগ্রাউন্ডে থেকে লড়াই করি। সেই কারণেই আক্রমণ” ।
উল্লেখ্য,রাত পোহালেই উঠে যাচ্ছে আরও এক নিষেধাজ্ঞা। শীতলকুচিতে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন তিনি। বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ ছিল- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৪ জনের নাম বললেও রাজবংশী যুবকের কথা বলেননি। মমতা সেই বার্তাকে নস্যাৎ করে মন্তব্য করেছেন, “সবার কথা বলেছি। আমার দলের লোক মারা গেলেও আমার কষ্ট হবে, অন্য দলের লোকের মৃত্যুতেও আমার কষ্ট হবে।”
অভিযোগের সুরে তাঁর আরও বক্তব্য, “আজ লেবংয়ে গিয়ে বলছে এনআরসি-র কথা বলিনি, এনআরসি করেছে কি করেনি, ১৪ লক্ষ লোককে নাগরিকত্ব থেকে কারা বাদ দিল। “২৪ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা উঠতেই স্বমহিমায় মমতা। বারাসতের পর সল্টলেকে সভা করলেন। আগামিকাল শীতলকুচি যাত্রা। রাজনৈতিক তরজার চলছেই। তবুও অটুট মমতা।

